Me And My Manipuri Things

Archive for the ‘Things make me proud as a Manipuri’ Category

10169443_10205374830589894_7897478258392434083_n
মণিপুরিদের গহনা। বাইরে থেকে সরল মনে হলেও গহনার গায়ে খোদাই করা কারুকাজগুলো অনেক সুক্ষ ও জটিল । কেবলমাত্র মণিপুরি স্বর্ণকারেরাই গহনায় সুক্ষাতিসূক্ষ কারুকাজগুলো ফুটিয়ে তুলতে পারেন । গহনায় সোনা বাদে রূপা বা তামাও ব্যবহার করা হয় । কিছু গহনা এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে । নিজেদের ঐতিহ্যবাহী গহনা বাদ দিয়ে মণিপুরি নারীরা এখন বাজারের চলতি গহনার দিকে ঝুঁকে পড়েছে । ফলে স্বর্ণকারদের এখন দুঃসময় যাচ্ছে । স্বর্ণের কাজকে পেশা হিসাবে বেছে নেয়ার আগ্রহও কমে যাচ্ছে তরুনদের মাঝে।

গহনার নাম ক্রমানুসারে (উপর থেকে নীচে):

১. খৌনা নাকপি
২. তেলকা নাকপি
৩. লিকসৈ
৪. থাবাক
৫. কাঠিসুরি (হেইকুরু লিকসৈ)

Advertisements

11041828_10206212917741549_4651133089594526926_n

‘ইনচাউ’ হল মণিপুরিদের ঐতিহ্যবাহী ঘর। সুপ্রাচীন কাল থেকে মণিপুরিদের পুর্বপুরুষেরা ঠিক করে দিয়ে গেছেন তাদের উত্তরসুরিদের থাকার বাসস্থান কেমন হবে। কোথায় উঠান হবে, বারান্দা হবে, কোথায় রান্নাঘর হবে। বাড়ির বয়োজেষ্ট্যরা কোথায় থাকবেন। পুত্র কন্যাদের পুত্রবধুদের শোবার জায়গা কোথায় হবে। এমনকি বিয়ের পর মেয়েরা বাপের বাড়ি বেড়াতে এলে কোথায় থাকবে সে জায়গাও ঠিক করা আছে ।

ইনচাউ একটি অদ্ভুত সুন্দর ও সুষমভাবে সাজানো স্থাপত্যকর্ম । মুলত প্রাচীন ধর্মের দেবতাদের উপাসনাস্থলের উপর ভিত্তি করে পুরো ঘরটির নকশা সাজানো হয়েছে। মুল ঘরের একেবারে ডানদিন ঘেঁষে ‘ফামেলকা’ যেটি গৃহকর্তার জন্য বরাদ্দ। একেবারে পেছনের ঘরে যেখানে ধানের গুদাম সেখানে থাকেন সনামাহি, দেবরাজ সরালেলের পুত্র। তার পাশেই গিথানিপুঙ বা লৈমারেন । ঘরের একদম মাঝখানে ফুংগা বা ফায়ারপ্লেস থাকে। ওখানে দেবতারা মাঝে মাঝে এসে বসেন। রান্নাঘরের আগুনটি এখান থেকে নেয়াই নিয়ম। ইনচাউ ঘরটি সেহিসাবে দেবগৃহের মর্যাদা প্রাপ্ত। তাই যেকোন কারণে ঘরের কোন অংশ অপবিত্র হলে পুরো ঘরটি লেপামুছা করতে হয়, কাপড়চোপড় থালাবাসন নতুন করে ধুতে হয়। ঘরের বাইরে ঘুরে বেড়ান ধ্বংসকারী দেবতা পাহাংপা। সেকারণে বাড়ির আশপাশটা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হয় । যেকোন মণিপুরি বসতিতে গেলে এজন্য সবার আগে পরিচ্ছন্নতা চোখে পড়ে ।

কালের বিবর্তনে ঐতিহ্যবাহী এই ইনচাউ ঘর প্রায় বিলুপ্ত হবার পথে । মণিপুরি বসতিতে দু’একটা ঘর কদাচিৎ চোখে পড়ে। তার জায়গা নিয়েছে টিনশেড ঘর। কোথাও পাকাঘর। কোথাও দালানকোঠা। কিন্তু এখনও মণিপুরিদেরকে পুরোনো প্যাটার্নটি মেনেই ঘর তৈরি করতে হয় । ফামেলকা নিঙলকা গিথানিপুঙ সব ঠিক রেখেই বাড়ি বানাতে হয় ।

মণিপুরিদের ইনচাউ ঘর রক্ষায় এগিয়ে এসেছেন বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ছাত্র উজ্জ্বল সিংহ। ইনচাউ ঘরের পুরোনো প্যাটার্ন ও ঐতিহ্যিক উপাদানসমুহ ঠিক রেখে তিনি ডিজাইন করেছেন নতুন শতাব্দীর আধুনিক ইনচাউ ঘর। আধুনিক জীবনযাত্রার সাথে সঙ্গতি রেখে দোতলা ইনচাউ ঘরে যোগ করেছেন আরো কিছু অনুসঙ্গ- অধিক পরিসর, ভেন্টিলেশন, প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা, পয়ব্যবস্থা, ড্রেনেজ। তার ডিজাইনটি ইতিমধ্যে বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগে ‘Rethinking INCHAO: The heritage of Manipuri Dwelling’ আন্ডারগ্রাজুয়েট থিসিস হিসাবে প্রদর্শিত এবং প্রশংসিত হয়েছে।

11008525_10206212918861577_890853805318022772_n

[ ১ম ছবিটি ট্রেডিশনাল মণিপুরি ইনচাউ ঘরের ডিজাইন। ২য় ছবিতে ইনচাউ ঘরের আধুনিক ডিজাইন। ]

522209_4770143531168_2070371394_n

। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বিপন্ন ভাষামেলার আলোচনা সেশনে বাংলাদেশের প্রান্তিক জনপদের একটি ভাষা স্হান পেয়েছে। ভাষাটির নাম বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি। পৃথিবীর বিপন্ন ভাষাগুলোকে রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে নিউইয়র্কে পালিত হয়েছে বিপন্ন ভাষামেলা। বিপন্ন ও বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলোকে নিয়ে কাজ করা এনডেঞ্জারড ল্যাঙ্গুয়েজ এলায়েন্স (ELA) গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরীতে এই ভাষামেলার আয়োজন করে। বিপুল সংখ্যক আগ্রহী দর্শক, ভাষাকর্মী ও ভাষাতাত্বিকের উপস্হিতিতে ভাষামেলায় পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপন্ন ভাষাসমুহের প্রতিনিধিরা তাদের ভাষার পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেন। বাংলাদেশ থেকে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষার প্রতিনিধিত্ব করেন উত্তম সিংহ। অনলাইনভিত্তিক ফেসবুক গ্রুপ বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ডিসকাশন ফোরাম (BMDF) এবং পৌরি ইন্টারন্যাশনাল এর সক্রিয় তৎপরতায় ভাষামেলায় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। উল্লেখ্য বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষাকে ইতিমধ্যে UNESCO এনডেঞ্জারড ল্যাঙ্গুয়েজ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত করেছে।

উত্তম সিংহ তার বক্তব্যে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষার বৈশিষ্ঠ্য এবং অপরাপর ভাষাসমুহের সাথে এই ভাষার তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন ভাষভিত্তিক এথনোলোগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে বাংলাদেশে প্রায় ৪০,০০০ ভাষিক সংখ্যালঘু বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষায় কথা বলেন। এছাড়া ভারতের আসাম ত্রিপুরা ও মণিপুরে ৩৬০,০০০ বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি বাস করে। ব্যবহারিক চর্চার অভাব, আঞ্চলিক বৃহৎ ভাষাসমুহের প্রভাব, রাস্ট্রিয় উদাসীনতা ইত্যাদি নানান কারণে ভাষাটির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। তবে গত কয়েক দশকে এই ভাষায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সাহিত্যকর্ম রচিত হয়েছে, প্রকাশিত হয়েছে শতাধিক পত্রপত্রিকা। এছাড়া অনলাইনে নানান ব্লগ, ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাষাটির চর্চা গড়ে উঠছে। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষার একটি অনলাইন উইকিপিডিয়াও রয়েছে। দীর্ঘ আন্দোলনের পর আসাম ও ত্রিপুরায় শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষা চালু হয়েছে। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষার দুইটি উপভাষা (মাদইগাঙ ও রাজারগাঙ) বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উত্তম সিংহ বলেন মাদইগাঙ উপভাষায় তিব্বত-বর্মী শাখার মণিপুরি মৈতৈ ভাষার প্রভাব এবং রাজারগাঙ উপভাষায় ভারতীয়-আর্য ভাষাসমুহের প্রভাব লক্ষ্যনীয়। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরিদের সংস্কৃতি চর্চার বিষয়েও তিনি আলোকপাত করেন। মণিপুরি সংস্কৃতি ও মণিপুরি নৃত্যকে জনপ্রিয় করতে নৃত্যগুরু বিপিন সিংহের অবদানের কথা তিনি তুলে ধরেন।

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষার উপর এক ঘন্টার অধিবেশন শেষে উপস্হিত দর্শক ও ভাষাবিদদের নানান প্রশ্নের জবাব দেন উত্তম সিংহ। উপস্হিত প্রতিক্রিয়ায় লেখক ভাষাবিদ ড্যানিয়াল কাফম্যান বলেন, প্রাথমিক পর্যবেক্ষনে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষাটিকে তিব্বত-বর্মী ও ভারতীয়-আর্য ভাষার সেতুবন্ধন বলে দৃশ্যমান হয়। ভাষাটি বিশ্বের অন্যতম বৈশিষ্টপুর্ণ ভাষা হিসাবে বিবেচিত হতে পারে উল্লেখ করে তিনি ভাষাটি সংরক্ষনের উপর গুরুত্ব দেন। তিনি জানান ভাষাটি এনডেঞ্জারড ল্যাঙ্গুয়েজ এলায়েন্স (ELA) এর ডকুমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

 

Rabindranath Tagore (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), the Nobel laureate poet, writer, philosopher is probably the most prominent figure in the cultural world of Indian subcontinent and also was the greatest patron of the Manipuri dance and culture. It was him who popularized the Manipuri style of dance with its high zenith among the people of the world. He deserves the honorable place in the style and regarded as the “Pioneer of Manipuri dance and culture”.

From Tagore’s writings and other historical accounts we can learn a little bit about his visit in Sylhet (in present day Bangladesh) . It was 1919 when the historical event had taken place. In November 6th, Rabindranath had a visit in the Bishnupriya Manipuri (বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী) village of Machimpur(মাছিমপুর), a remote village not far away from the town situated on the bank of the river Surma. He was given a warm reception there from the Bishnupriya Manipuri people. He was so impressed after seeing a dance composition, the Goshtha Lila presented by the Bishnupriya Manipuri women. After seeing the demonstrations Rabindranath introduced himself to the people and wanted to be informed more about their dance and culture. He also met that time exile superintendent Mr Tanu Singha and looked for a Manipuri Oja (dance teacher) who was capable of communicating in Bangla. Mr Tanu Singha introduced the poet with great Guru Nileshwar Mukharjee (গুরু নীলেশ্বর মুখার্জ্জী )of Baligaon. Tagore intended to bring the dance teacher to his idyllic institute, Shantiniketon. In November 7th 1919, in the speech in a historical gathering of students at Sylhet M.C. College hall, Rabindranath mentioned about his experience in Machimpur and the Bishnupriya Manipuri people. The speech was published in a literary journal “Akangkha” of Shantiniketan (1920).

Tagore brought back Guru Nileshwar MUkharjee to serve in his Visva-Bharati University at Santiniketan. He immediately decided to open a new department of Manipuri Dance in Shantiniketan. Later many other Bishnupriya Manipuri Oja’s and danseuse like Guru Senarik Rajkumar, Nabakumar Singha, Muhu Singha, Guru Bipin Singha, Sri Bihari Singha and Sri Adityasena Rajkumar was invited to Shantiniketon in presence of Rabindranath. They assisted Tagore to choreograph several of his dance-drama. After that period Manipuri dance took its special place in Shantiniketon with Bhatnatyam, Kathak and Kothakali, the other classical dance forms India. In fact Manipuri dance was not as popular as the other classical dance forms. But the subtlety of the tender dance form and the variety of the rhythm impressed Rabindranath Tagore so much that he is credited with introducing this enchanting style to the other parts of the world.  Later many other  renowned gurus from Manipur and Assam were invited from to teach this dance form in Shantiniketan. Gradually the practice of this dance form extended outside the Manipuri community and was practiced with great enthusiasm, especially among the Bengalis and other indian people.

There is also influence of popular Manipuri tunes in many songs of Rabindranath. There are many Rabinra Sangit’s which involves Manipuri dance and dance –

1) Sribas kache theke dure… (শ্রীবাস কাছে থেকে দুরে..)
2) Aji basanto jagrata dware… (আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে..)
3) Rodono vora a bosonto… (রোদন ভরা এ বসন্ত..)
4) Baki ami rakhbo na… (বাকী আমি রাখবো না…)

The compilation of the dance drama, “Chitragada” was fully based on various elements of Manipuri dance. Another of his literary work “Bhanusingher Padavali” depicts the influence Manipuri songs and philosophy. The Vasihnavite work “Bhanusingher Padavali” was compiled during Tagore’s visit in the state on Tripura and during his contact with the king Virchandra Manihya. The King of Tripura was married to a Manipuri princess named Monomohini Devi alias Thoraleima. Queen Thoraleima contributed a great deal in the movement of
wiping out Satidaho, a discriminating Hindu custom for women.

No doubt, Rabindranath Tagore provided a vital link towards the progressive cultural revivalism to the Bishnupriya Manipuri people and produced a band of local artists who enriched their culture. Rabindranath was the source of inspiration for the stimulation of our own dance, songs and music which were on the path of extinction.

Sources and references :
1. Kothika Matek – Prof Ranjit Singha, Sylhet 1992
2. Gayotri Chatterjee / Bharoter Nritokola
3. Tarun Kumar singha / Manipuri Nritya Probesika, 1968
4. Nripendralal das / Sribhumi sylhete Rabindranath
5. Manipuri Rasleela Udyapan Parisad, Bangladesh / Suvenir, 1996

Photographs:
Weekly Desh
Assam tribune

Great Personalities who have made a difference to Bishnupriya Manipuri society in the fields of Arts, Music, Dance, Education, Literature, Religion, Social work etc and contributed a lot to Bishnupriya Manipuri culture and spirit. Let us have a look on profiles of those great personalities who make us feel proud to be a Bishnupriya Manipuri.


Read Part one here

Part Two (1960-1980)

In the post 60’s – a brave and dynamic leader, a devoted community worker and a great writer was revealed in Bishnupriya Manipuri Community. His Name is Sarvashri Jagat Mohan Singha, former secretary of Nikhil Bishnupriya Manipuri Sahitya Parishad, popularly known as ‘Jagatda’. Jagat Mohan was born in 13th December of the year 1920 in a remote village of Assam. He played impressive rule in the language movement demanding the recognition of Bishnupriya Manipuri Language in post 60’s and 70’s. He was respected with the title ‘Sarvashri’ given to him for his dynamic and courageous leadership. His literary works mainly the criticisms under the nickname ‘Dolan Ipu’ was very popular among the mass. He compiled the valuable research work on Bishnupriya Manipuri language and history – ‘The Bishnupriya Manipuris and Their Language’(1976). Jagat Mohan was also a dramatist and composer of many songs on social enlightenment. Songs like ‘Jonome Jonome more diya petheis hunar Manipure..’ or ‘Loktake kader, kader akkhula … ahir pani bela bela ‘ are still source of inspiration for Bishnupriya Manipuris.

Another remarkable community worker and a dedicated leader is Late Sri Dinanath Singha of Tilakpur, Bangladesh. He worked throughout his entire life for the betterment of Bishnupriya Manipuri community living in Bangladesh. He worked as the president of Bangladesh Manipuri Samajkalyan Samitee which was joint platform of Bangladeshi Bishnupriyas, Meiteis and Pangans. In 1973 and 1975 a deputation leaded by him met the that time Prime-Minister and that time President of Bangladesh arguing to provide faculties for Manipuri students, patronizing Manipuri culture, construction of Manipuri Mandhavs and broadcasting Manipuri programs in the national media. As a result of his efforts, in 1976 the Govt of Bangladesh started telecast of regular programs from Radio Bangladesh, Sylhet station in Bishnupriya and Meitei language under a common Manipuri line. The Govt also granted a fund for maintenance of the Mandavs and provided reservations for Manipuri students in Govt institutes. Dinanath’s leadership pressurized the govt to establish ‘Manipuri Lalitkola Academy’ to extend Manipuri culture and Music. Bishnupriya Manipuris of Bangladesh inaugurated many associations/awards by his name viz ‘Dinanath Smriti Academy’, ‘Dinanath Puraskar’, ‘Dinanath Britti’ etc.

Hanjaba Guru Bipin Singha may rightly be called as the “Father of Manipuri Dance and style”. He was awarded with a number of the prestigious titles like Bharat Ratna, Kalidas etc. He has the past four decades with his disciplines – the Javery sisters -has contributed a great deal in the field of Manipuri dance and culture. In Bombay the famous performers and teachers are the Jhaveri sisters – Nayana,Suverna, Darshana and Ranjana Jahveri. They continue this tradition at their institution ‘Manipuri Nartanalaya’. Guru Bipin Singha is one of those artists who have spread the beauty of Manipuri dance all over the world and have been honored both nationally-internationally on this subject and thus brought glories for Bishnupriya Manipuri community.

Among the living legends, the name of Dr. Kali Prashad Sinha comes at first. He is the first and foremost Bishnupriya Manipuri to be entitled with the degree Ph.D and D. Lit. He is the first exponent of Bishnupriya Manipuri linguistics. Dr K P Sinha passed M.A. in Sanskrit from Jadavpur University in 1963. He visited almost every village of Bishnupriya-speaking people in Assam, Manipur, Tripura and Bangladesh; studied dialectical differences and collected the vocabulary of the language. With all this materials a thesis entitled ‘A study on Bishnupriya Manipuri Language’, on which he was awarded the degree of Doctor of Philosophy by Jadavpur University in 1968. He joined the Assam University as Professor & Head of the department of Sanskrit. His remarkable contribution is the first ever ‘Bishnupriya Manipuri Grammar’ and the significant work ‘An Etymological Dictionary of Bishnupriya Manipuri’. He wrote a number of essays on Bishnupriya Manipuri linguistics, social problem etc and composed numerous poems, vaishnava padavalis and modern songs. He translated the whole Rasleela songs into Bishnupriya Manipuri language expressing the divine love of Radha and Krishna, which are previously found only in Bengali-Brajabuli version. Greater contributions of Dr K P Sinha are in the fields of Indian philosophy where ‘Nyaya-Darsana-Vimarsa’, ‘Sankara-Darsana-Vimarsa’, ‘The Buddhist Theory of Non-Self’, ‘The concept of Absolute Indian Philosophy’ etc worth mention. Dr K P Sinha was once involved with social activities with Bishnupriya Manipuri Mahasabha and later he formed Bishnupriya Manipuri Sahitya Sabha. In 1994, his statements along with his research works that were submitted to the Assam Backward Class Commission played an vital role in recognition and inclusion of nomenclature “Bishnupriya Manipuri” in the list of OBC. In personal life, he remained unmarried and he spent all his earnings in publishing books, organizing community events and founding the cultural point ‘Divyasram’.

References:
Souvenir of Word Conference 2003 by NBMM
Kothika Matek by Prof. Ranjit Singha, 1992
Souvenir of 50th anniversary of NBMSP & NBMSP, 2006
Ithaak, January 11th, 1995 Issue
Pouri Patrika, August 2007 Issue

Acknowledgements:
Sri Samarjit Singha, Tripura
Prof. Ranjit Singha, Mouvibazar

Contd…

A few decades ago Manipuri dance was not as popular as the other classical dance forms. But the subtlety of the tender dance form and the variety of the rhythm impressed Rabindranath Tagore so much that he is credited with introducing this enchanting style to the other parts of the world. Renowned gurus were invited to teach this dance form in Tagore’s idyllic institute, Shantiniketan. Gradually the practice of this dance form extended outside the Manipuri community and was practiced with great enthusiasm, especially among the Bengalis. Following that initial period, the individual who can be credited for empowering and popularising the dance form, is Guru Bipin Singha.

Guru Bipin Singha was born on August 24, 1918 in a Bishnupriya Manipuri family deeply involved in Manipuri Culture. His grandfather P. Tona Singha was a Manipuri Maiba (priest), his father Laikhomsana Singha was a poet and his mother Indubala Devi was a vocalist. Thus dance and music are in his blood.

Right from his childhood Guru Bipin Singha received intensive and elaborate training in the art of Manipuri dancing from various experts residing in Manipur and its surrounding districts like Cachar, Sylhet and Tripura. Guru Bipin Singha is a rare combination of a dancer, choreographer, scholar and a teacher. For over the last 50 years he had dedicated himself to the task of exploring and revealing the classical elements of Manipuri dancing in order to preserve, promote and propagate the art form in its pristine purity.


His genius for creating and innovating dance compositions and choreography had given him a rightful place among the choreographers of Indian dance. He composed various dance items, emphasising each classical element in a stylised way, bringing out its beauty to the fullest and keeping true to its original form and spirit. He gave a new direction to dance dramas and choreographed them keeping within the traditional framework. From within these dance dramas he chose the solo pieces and re-choreographed them for the stage, thereby making them complete. He was a pioneer in introducing solo dance performances in the Manipuri style.

Through studies and researches, he had continually established a significant correlation between the available Vaishnavite and other Indian texts on dance, as well as the oral tradition of Manipuri dance and music. His scholastic abilities had enabled him to analyse, classify, systematise and codify various aspects of Manipuri dance and create fundamental and universal principles and disciplines to impart effective training.

Guru Bipin Singha in collaboration with his well-known disciples Jhaveri sisters and Kalavati Devi, founded Manipuri Nartanalaya in Bombay, Kolkata and Manipur. The creative contribution of Guru Bipin Singha and the Jhaveri sisters had been to bring the traditional and classical dances of Manipur from the temples to the theatre without altering its form and spirit.

The state of Manipur recognised his scientific attitude and scholarly approach and had accredited his ‘school’ of dancing as a significant ‘gharana’ of Manipuri dance.In order to acknowledge and appreciate his contribution to the field of dance, Guru Bipin Singha was awarded with many prestigious awards among which were Nrityacharya by Maharaja of Manipur, National Sangeet Natok Academy awards given by Late Indira Gandhi, Uday Shankar Fellowship Calcutta, Kalidas Samman Madhya Pradesh, Anamika Kala Sangam Awards Calcutta and many others.


Guru Bipin Singha’s teachings and the Manipuri dance style were popularised in Bangladesh by Shantibala Sinha and Kalavati Devi at Chhayanat. Two of her direct students Sharmila Bandyopadhyay and Tamanna Rahman are now carrying on the legacy of Guru Bipin Singha in Bangladesh and introducing the young generation of dancers to the Manipuri style.

Contributed by: Tamanna Rahman | Dhaka

50 Great Bishnupriya Manipuris

Great Personalities who have made a difference to Bishnupriya Manipuri society in the fields of Arts, Music, Dance, Education, Literature, Religion, Social work etc and contributed a lot to Bishnupriya Manipuri culture and spirit. Let us have a look on profiles of those great personalities who make us feel proud to be a Bishnupriya Manipuri.

Part One (1920-1960)

Perhaps the most remembered idols among the Bishnupriya Manipuris are Late Gokulananda Gitiswami and Late Sri Bhubaneswar Sadhu Thakur. Gokulananda’s song immortalizing Mother Bishnupriya and Bhubaneswar Sadhu Thakur spiritual teachings played a pivotal part in defining Bishnupriya Manipuri gokulananda3.jpgculture, both in Bangladesh and India. The impact of this great wandering social reformer Gokulananda on the Bisnupriya Manipuries has been manifold. He traversed the whole of Bishnupriya-speaking region – singing with a missionary fervour of the ills of our society and their remedies He devoted his entire life to the serve the community, to improve the condition of our people and to keep pace with the progress of other communities. He dramatized the plight of our women against the comparative indolence of men. He came under lot of turbulence of the times and he appeared to have wider sympathies. Because of all these qualities of abhubaneswar_sadhuthakur1.jpg very high order, grateful people conferred on him the title “Gitiswami” along with a silver medallion, in a special session of Nikhil Bishnupriya Manipuri Mahasabha, in 1935. On the other hand, Sri Bhubaneswar Sadhu Thakur was a popular spiritual master who born at Baropoa, now renamed Bhubaneshwar Nagar, in Cachar. He taught a moral code of love, forgiveness, charity, contentment, inner peace, devotion to God and Guru through his teachings and songs. He saved the people from spiritual degeneration owing to abject poverty. They have learnt from him to live honestly and peaceably with what little they have. He established the temple Sri Radha Gavinda Jew Mandir popularly known as “Govindabari” at Nabadwip in West Bengal which is a veritable abode of peace for the devotees.

Late Sri Mohendra Kumar Singha (B.A., B.T.) of Silchar was a renowned social worker of Bishnupriya Manipuri community and also one of the few knowledgeable persons of his time. He was the pioneer in Bishnupriya Manipuri historical research. His historical work is compiled into three volumes of “Manipurer Prachin Itihas” which took him a vast amount of research works and findings. He edited ‘The Bishnupriya”, the month-piece of Mahasabha. In the third decade of 20th century, when a group of young and educated persons started publishing journals and literary magazines like, a wave of consciousness and nationalism sparked the society – the foremost among the young fellows was Late Sri Falguni Singha. Falguni was the editor of ‘Jagoran'(1925) and ‘Manipuri’ (1933). Beside literary activities he was a very good organizer. He worked in many ways to solve conflicts among Bishnupriyas and Meiteis. That time, other scholars like Late Sri Sena Singha, Late Krishna Kumar Singha and Sri Haridas Singha also contributed a lot in the field of historical research. Here we also remember with deep respect the social works done by Late Sri Tonubabu Singha Superintendent, Sri Manik Singha, Sri Kamini Singha, Advocate Sri Babuchand Singha, Sri Hemachandrajit Rajkumar and few others. Shaid Rajbabu Singha was a social worker, who sacrificed his life in 15th march 1933, when a rival group took away his life for what he is doing for the society.

In the field of dance, Guru Nileshwar Mukharjee from Bangladesh (of kamalganj Thana of undivided Sylhet district) and Guru senarik_rajkumar2.jpgSenarik Singha Rajkumar from Cachar district of Assam are well known to Manipuri society as with them the new department of Manipuri Dance was created in the Shantiniketon (Calcutta) in the early 30’s. In 1921, the poet Rabindranath Tagore encountered Manipuri dancing in Sylhet district, a Bishnupriya Manipuri enclave (Machimpur) that is now part of Bangladesh. Tagore was fascinated with a Ras performance and he consequently invited these two Gurus. That was an epoch making events in the history of Manipuri Dance and within a decade in crossed its regional as well national fields and became a reputed international style.

In the field of Arts, Literature and Music, the name of the eminent dramatist Leikhomsena Sinha from Singari near Silchar comes frist. Leikhomsena was the father of Guru Bipin Sinha, the great exponent of Manipuri dance. Leikhomsena singha was the author of the dramas entitled ‘Harishandra’, ‘Manipur Patan’ and ‘Khamba Thoibi’ and composer of many padavali songs. Madan Mohan Sharma of Sanicchara was one the four main writers of pre-50’s Bishnupriya Manipuri Literature. Madan Mohan Sharma was the author of a number of Kiratana-type works namely – ‘Balipinda’,’ Subal Milan’, ‘Tilottoma’, ‘Basak’, ‘Sudama Bipra’ etc. Amusena Singha of Cipersangan was also one the four main writers of early modern Bishnupriya Manipuri Literature.Amusena sinha wrote a number of Kirtana-type works based on Ramayana, namely – ‘Angada Raybar’, ‘Saktisel’, ‘Taranisen Badh’, ‘Nagapas’, ‘Mahiravan Badh’ etc.

References:
The Mahasabha Review,1970
Souvenir of Word Conference 2003 by NBMM
Kothika Matek by Prof. Ranjit Singha, 1992
Loktak 10th issue, 2005
Nuwa Ela, 23rd year, 6th Issue, 2005

Acknowledgements:
Late Sri Lalitmohan Singha, Tilakpur
Sri Nilmani Chatarjee, Ghoramara

Contd…


Blog Stats

  • 81,385 hits

RSS বরন ডাহেকুরা

  • জেন য়ারি দুহান
    জেন য়ারি এতা নিয়াম পুরানা য়ারি। লোকগাঁথা। মুলত থাইনাকার আমলর জাপান দেশে য়ারি এতা মানুর থতাত্ত থতাৎ রচিত অসেতা। জেন মহাযানী বৌদ্ধ র্দশনর ডেঙ আগো। এপেই বিশ্বাস বারো ভক্তিত্ত ধ্যান, আত্মজ্ঞান বারো আত্মপোলব্ধিরে বপিয়া গুরুত্ব দেনা অর। ‘জেন’ (Zen)ওয়াহি এগো … বিস্তারিত পড়ুন → […]
  • মার্টিন নেমলারর কবিতা আহান
    তানু যেবাকা কমিউনিস্ট ঔতারে দরিয়া নিলাগা মি কিত্তাউ নামাতেসু, কিয়া মাতলে মি’তে কমিউনিস্টগো নাগৈনায়। তানু যেবাকা শ্রমিক ইউনিয়নের মানু ঔতারে দরিয়া নিলাগা মি কিত্তাউ নাতারাসু, কিয়া মাতলে মি’তে শ্রমিকগো নাগৈনায়। থাংনাত তানু ইহুদি ঔতারে দরিয়া নেনারকা আলথক আইলা মি ইঙ্গ … বিস্তারিত পড়ুন → […]
  • অগস্ত্য
    লেরিক এহান না পাকরেসি উতাই বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ঠারর ডাঙর দিক আহার লগে উনাউনি নাসি। থেরেক থেরেক করের ঠার এহানলো ইমে এলা-কবিতা-য়ারি নাগৈ, চৌকষ গদ্যও যে ইকরানি অকরের উহান কুমারী দেবলা মুখার্জ্জী গিথানকে দেহুয়াদেসে। পয়লা পাকরলু সমেইত ভাষাতত্ব্ব বা বানান বিতর্ক … বিস্তারিত পড়ুন → […]
  • মুক্তবুদ্ধি
    ১. সময়আহাৎ নিউজফিডর বারাউগদে চেয়া হারদিন ঠুনিংশ্বা বেললু। মারুপর তালিকা উহান সিংহ সিনহাই বুজেসি। বপতাই নুয়া প্রজন্মর শৌ। তানুর য়ারিপরি চিন্তাভাবনা মনস্তত্ব চেয়া হতাশ অইলু। হারপেইলু মুঙেদে আমারতা জড়বুদ্ধি প্রজন্মআহান আইতারা। কোনতাই রাস রাখুয়ালর ফটো আকেইগ দিয়া ডাঙর অইতারা। কোনতাই … বিস্তারিত পড়ুন → […]
  • এন্ড্রয়েড মোবাইলে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি
    নুয়া মোবাইল উহান গুতাগুতি করতে গিয়া আজি অন্ধকপা হারৌ আহান লাগিল। বাংলা এনাবল করিং উনিয়া ল্যাংগুয়েজ সেটিং এ গিয়া চউরিথাং আমার ঠারর নাঙহানৌ আসে। নর্থ-ইস্ট ইন্ডিয়ার বিতরে ইমে অসমীয়া, বাংলা বারো আমার ঠারহান মাল্টিমিডিয়া মোবাইলে হমাসে। মোর মোবাইল এহার ব্র্যান্ডহান … বিস্তারিত পড়ুন → […]